ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হাতিয়ার এমপি মোহাম্মদ আলীর ছেলে আশিক আলি অমি, অন্যরাও সরে দাঁড়ালেন না। জেলা আওয়ামিলীগের সংবাদ সম্মেলন সার্বজনীন পহেলা বৈশাখ বা পয়েলা বৈশাখ – লেখকঃ  আসসাদুজ্জামান আরমান  (প্রকাশক ও সম্পাদক) মুরগির ওজন বৃদ্ধির জন্য খাওয়ানো হচ্ছে ইটের কণা ডিজিটাল মিটারের অফলাইন এবং অনলাইন সেবাতে বিভ্রান্ত গ্রাহক নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ০২ সদস্য গ্রেফতার সহ ০৭ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উৎযাপন স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন নোয়াখালী পৌরসভায় কিশোরগ্যাং এর উৎপাত বাড়ছে নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে এক ব্যক্তি নিহত ও একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

অপহরণ হয়েছে নেত্রকোণা ৫ আসনের এম পি

News Desk
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য  ওয়ারেসাত হোসেন বেলালকে (৭৫) অপহরণের পর বিয়ের অভিযোগে কলেজছাত্রীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে পূর্বধলা থানায় মামলা করা হয়। উক্ত মামলায় বাদী হয় সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের স্ত্রী  রওশন হোসেন। এছাড়াও তাঁর স্বাক্ষর জালসহ টাকা হাতিয়ে নেওয়া আরো  বিভিন্ন অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়।

মামলার সূত্র হতে জানা গেছে,উক্ত মামলার  আসামিরা এম পি  ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের আস্থাভাজন লোক ছিলেন। তারা এমপি ওয়ারেসাত হোসেনের বিভিন্ন কাজকর্ম দেখাশোনা করতেন।

উক্ত মামলার প্রধান আসামি হলেন নাদিয়া আক্তার নামের এক কলেজছাত্রী। অন্য আসামিরা হলেন নাদিয়ার ছোট ভাই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাইফ , পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন, সংসদ সদস্যের পিএস ফেরদৌস আলম , কামারুজ্জামান উজ্জ্বল , দুই কলেজশিক্ষক নাদেরুজ্জামান স্বপন , রতন পাল , ছাত্রলীগ কর্মী শাহ আলীম ও সংসদ সদস্যের গাড়িচালক শফিকুল ইসলাম ।

মামলায় বাদী ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের স্ত্রী  রওশন হোসেন উল্লেখ করেন, তাঁর স্বামী ওয়ারেসাতকে জিম্মি করে এবং স্বাক্ষর জাল করে নাদিয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ের একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে অভিযুক্ত  আসামিরা।তারপর তার  স্বাক্ষর জাল করে স্ত্রী রওশন হোসেনকে তালাক দেওয়া হয় এবং সেই কাগজ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।গত ২৭ মার্চ বিকেলে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ঢাকার একটি বাসা থেকে সংসদ সদস্যকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।এই ঘটনার পর বুধবার রাতে মামলা করেন ওয়ারেসাতের স্ত্রী রওশন। মামলায় ওয়ারেসাতসহ আটজনকে সাক্ষী করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন , মামলায় অপহরণ ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল কাবিননামা ও জাল তালাকনামা তৈরির কথা বলা হয়েছে। মামলার বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মামলার প্রধান আসামী নাদিয়া আক্তার অভিযোগের বিষয়ে কোনো কিছু জানে না বলে অস্বীকার করেন।অপহরণ, স্বাক্ষর জালের বিষয়টি আমি মামলা হওয়ার পর সাংবাদিকসহ অন্য মানুষের কাছ থেকে জানলো এবং এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হাস্যকর বলে জানায় নাদিয়া আক্তার।মামলার বিষয়ে অপর আসামি ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আমাদের নামে করা মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একজন সংসদ সদস্যকে অপহরণ করলে দেশজুড়ে আন্দোলন হয়ে যেত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অপহরণ হয়েছে নেত্রকোণা ৫ আসনের এম পি

আপডেট সময় : ০৩:২৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য  ওয়ারেসাত হোসেন বেলালকে (৭৫) অপহরণের পর বিয়ের অভিযোগে কলেজছাত্রীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে পূর্বধলা থানায় মামলা করা হয়। উক্ত মামলায় বাদী হয় সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের স্ত্রী  রওশন হোসেন। এছাড়াও তাঁর স্বাক্ষর জালসহ টাকা হাতিয়ে নেওয়া আরো  বিভিন্ন অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়।

মামলার সূত্র হতে জানা গেছে,উক্ত মামলার  আসামিরা এম পি  ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের আস্থাভাজন লোক ছিলেন। তারা এমপি ওয়ারেসাত হোসেনের বিভিন্ন কাজকর্ম দেখাশোনা করতেন।

উক্ত মামলার প্রধান আসামি হলেন নাদিয়া আক্তার নামের এক কলেজছাত্রী। অন্য আসামিরা হলেন নাদিয়ার ছোট ভাই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাইফ , পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন, সংসদ সদস্যের পিএস ফেরদৌস আলম , কামারুজ্জামান উজ্জ্বল , দুই কলেজশিক্ষক নাদেরুজ্জামান স্বপন , রতন পাল , ছাত্রলীগ কর্মী শাহ আলীম ও সংসদ সদস্যের গাড়িচালক শফিকুল ইসলাম ।

মামলায় বাদী ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের স্ত্রী  রওশন হোসেন উল্লেখ করেন, তাঁর স্বামী ওয়ারেসাতকে জিম্মি করে এবং স্বাক্ষর জাল করে নাদিয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ের একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে অভিযুক্ত  আসামিরা।তারপর তার  স্বাক্ষর জাল করে স্ত্রী রওশন হোসেনকে তালাক দেওয়া হয় এবং সেই কাগজ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।গত ২৭ মার্চ বিকেলে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ঢাকার একটি বাসা থেকে সংসদ সদস্যকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।এই ঘটনার পর বুধবার রাতে মামলা করেন ওয়ারেসাতের স্ত্রী রওশন। মামলায় ওয়ারেসাতসহ আটজনকে সাক্ষী করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন , মামলায় অপহরণ ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল কাবিননামা ও জাল তালাকনামা তৈরির কথা বলা হয়েছে। মামলার বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মামলার প্রধান আসামী নাদিয়া আক্তার অভিযোগের বিষয়ে কোনো কিছু জানে না বলে অস্বীকার করেন।অপহরণ, স্বাক্ষর জালের বিষয়টি আমি মামলা হওয়ার পর সাংবাদিকসহ অন্য মানুষের কাছ থেকে জানলো এবং এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হাস্যকর বলে জানায় নাদিয়া আক্তার।মামলার বিষয়ে অপর আসামি ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আমাদের নামে করা মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একজন সংসদ সদস্যকে অপহরণ করলে দেশজুড়ে আন্দোলন হয়ে যেত।