ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হাতিয়ার এমপি মোহাম্মদ আলীর ছেলে আশিক আলি অমি, অন্যরাও সরে দাঁড়ালেন না। জেলা আওয়ামিলীগের সংবাদ সম্মেলন সার্বজনীন পহেলা বৈশাখ বা পয়েলা বৈশাখ – লেখকঃ  আসসাদুজ্জামান আরমান  (প্রকাশক ও সম্পাদক) মুরগির ওজন বৃদ্ধির জন্য খাওয়ানো হচ্ছে ইটের কণা ডিজিটাল মিটারের অফলাইন এবং অনলাইন সেবাতে বিভ্রান্ত গ্রাহক নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ০২ সদস্য গ্রেফতার সহ ০৭ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উৎযাপন স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন নোয়াখালী পৌরসভায় কিশোরগ্যাং এর উৎপাত বাড়ছে নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে এক ব্যক্তি নিহত ও একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সেনা সদস্য মাসুমের দাফন সম্পন্ন

News Desk
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ ৪৮০ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:     বান্দরবানের রুমায় নিহত সেনা সদস্য আলতাফ হোসেন মাসুমের (২৪) দাফন নিজ বাড়ি নোয়াখালীতে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ মে) দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালীর সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী এসে পৌঁছে। পরে ক্যাপ্টেন সাদেকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল নিহতের সম্মানে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

এসময় নোয়াখালী সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শামছুদ্দীন জেহান, সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, ভাইস চেয়ারম্যান নূর আলম সিদ্দিকী রাজু, কাদির হানিফ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রহিমসহ মাসুমের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে তার মা-বোন এখন পাগলপ্রায়।  মাসুমের মা শাহীনুর আক্তার রেখা বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। জ্ঞান ফিরলেই তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে ২০১৭ সালে মাসুমের বাবা মারা যান। ওই বছর মাসুম সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন। সেই ছিল অসহায় পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার ছোটবোন সানজিদা সুলতানা মিম গত বছর এইচএসসি পাশ করেছে।

 

পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনদিন আগেও মা-বোনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মাসুম। কিন্তু মঙ্গলবার (১৬ মে) বান্দরবানের রুমায় কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) হামলায় তিনিসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন।

মাসুমের বড় মামা মো. জহির উদ্দিন শাহিন গণমাধ্যম’কে বলেন, আমার বোন-ভাগনিকে দেখার মতো আর কেউ রইলো না। আমার বাবা হারা ভাগিনা দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। সরকার যেন তাদের পরিবারের দিকে খেয়াল রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

2 thoughts on “বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সেনা সদস্য মাসুমের দাফন সম্পন্ন

  1. আল্লাহ মাছুম কে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সেনা সদস্য মাসুমের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধি:     বান্দরবানের রুমায় নিহত সেনা সদস্য আলতাফ হোসেন মাসুমের (২৪) দাফন নিজ বাড়ি নোয়াখালীতে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ মে) দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালীর সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী এসে পৌঁছে। পরে ক্যাপ্টেন সাদেকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল নিহতের সম্মানে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

এসময় নোয়াখালী সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শামছুদ্দীন জেহান, সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, ভাইস চেয়ারম্যান নূর আলম সিদ্দিকী রাজু, কাদির হানিফ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রহিমসহ মাসুমের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে তার মা-বোন এখন পাগলপ্রায়।  মাসুমের মা শাহীনুর আক্তার রেখা বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। জ্ঞান ফিরলেই তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে ২০১৭ সালে মাসুমের বাবা মারা যান। ওই বছর মাসুম সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন। সেই ছিল অসহায় পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার ছোটবোন সানজিদা সুলতানা মিম গত বছর এইচএসসি পাশ করেছে।

 

পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনদিন আগেও মা-বোনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মাসুম। কিন্তু মঙ্গলবার (১৬ মে) বান্দরবানের রুমায় কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) হামলায় তিনিসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন।

মাসুমের বড় মামা মো. জহির উদ্দিন শাহিন গণমাধ্যম’কে বলেন, আমার বোন-ভাগনিকে দেখার মতো আর কেউ রইলো না। আমার বাবা হারা ভাগিনা দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। সরকার যেন তাদের পরিবারের দিকে খেয়াল রাখে।